Thursday, November 30, 2017
ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের গণ ডেপুটেশেনে লড়াকু আদিবাসী প্রবীণা।
ঝাড়গ্রাম জেলা শাসকের নিকটে ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের গণ ডেপুটেশেনে লড়াকু
আদিবাসী প্রবীণা। সেলাম জানাই এই লড়াকু প্রবীণাকে। গত ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৭ আদিবাসী
সাঁওতালদের সর্বোচ্চ সর্বভারতীয় সামাজিক সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের পক্ষ
থেকে আদিবাসী সাঁওতালদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া নিয়ে জেলা শাসকের মাধ্যমে
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
Thursday, November 23, 2017
কলকাতার বিখ্যাত তাজ বেঙ্গল হোটেল এবার পাওয়া যাবে আদিবাসী সাঁওতালী খাবার।
প্রতিবেদনে – প্রদীপ কুমার
হাঁসদা। কলকাতা বিখ্যাত তাজ বেঙ্গল হোটেল এবার পাওয়া যাবে আদিবাসী সাঁওতালী খাবার।
আদিবাসী সাঁওতালী খাবারের বানিজ্যকরন শুরু হল একেবারেই আক্ষরিক অর্থে। বিখ্যাত তাজ
বেঙ্গল হোটেলের মতন জায়গায় আদিবাসী সাঁওতালী খাবার জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু
আদিবাসী সাঁওতালী খাবারের GI স্বীকৃতির বিষয়েও চিন্তা ভাবনা করার সময় এসে গেছে। সমস্ত খাবার
রসিকদের অনুরোধ একবার অন্তত আদিবাসী সাঁওতালী খাবার টেস্ট করে দেখবেন।
কৃতজ্ঞতা স্বীকার – রিতেশ টুডু।
Wednesday, November 22, 2017
পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুরে পাহাড় কাটা চলবে, বলছে প্রশাসন। বিরোধীতায় আন্দোলনে স্থানীয় বাসিন্দারা।
রঘুনাথপুর, পুরুলিয়া, ২২
নভেম্বর, ২০১৭।
দ্বিমুখী নীতিতে রঘুনাথপুর
১ ব্লকের বেড়োয় পাহাড় কাটা-বিরোধী আন্দোলন ভাঙার চেষ্টা শুরু হয়েছে। এক দিকে, পাহাড়
বাঁচাও কমিটির সঙ্গে দলের নেতা-কর্মীদের সংস্রব না রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছে শাসকদল।
অন্য দিকে, পাহাড় থেকে গ্রানাইট বের করা যে কোনও ভাবেই বন্ধ করা হবে না, তা বার বার
কমিটিকে বৈঠকে ডেকে স্পষ্ট করে দিচ্ছে প্রশাসন। মঙ্গলবার এক বৈঠকে ফের সে কথা মনে করিয়ে
দিল মহকুমা প্রশাসন।
এ দিন, বেড়ো গ্রামের পাহাড়
বাঁচাও কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ওই প্রকল্পের সমস্যা মেটাতে আলোচনায় বসেছিলেন রঘুনাথপুরের
বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরি, রঘুনাথপুরের মহকুমাশাসক দেবময় চট্টোপাধ্যায় ও ওই প্রকল্পের
দায়িত্বে থাকা মাইনস অ্যান্ড মিনারেল ডেভেলপমেন্ট ট্রেডিং কর্পোরেশন লিমিটেডের (এমডিটিসি)
জেনারেল ম্যানেজার এস কে শূর। বৈঠকে কমিটিকে ফের জানানো হয়, বেড়ো গ্রামের গ্রানাইট
হাব তৈরির সরকারি প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। তবে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়
সমস্ত কাজ করবে এমডিটিসি ও প্রশাসন। বৈঠক শেষে বিধায়ক দাবি করেছেন, ‘‘ইতিবাচক আলোচনা
হয়েছে। প্রকল্প নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। তা মিটে গিয়েছে।’’
যদিও পাহাড় বাঁচাও কমিটির কর্মকর্তারা পাল্টা দাবি করেছেন, পাহাড় কেটে পাথর বের করাতেই
তাঁদের আপত্তি। তাই প্রকল্প বন্ধ করার দাবি থেকে সরছেন না। বেড়োর প্রকল্পের কাজ অবশ্য
চলছে। মহকুমাশাসক বলেন, ‘‘এ দিন জানানো হয়েছে, পাহাড় কাটার এলাকা চিহ্নিত করে দেবে
এমডিটিসি। বরাতপ্রাপ্ত সংস্থা পরিবেশ বাঁচিয়েই কাজ করবে। যত গাছ কাটা হবে, তার কয়েকগুন
বেশি লাগানো হবে।” এমডিটিসি-ও জানিয়েছে, পাহাড়ের উপর নয়, মাটি খুঁড়েই গ্রানাইট বের
করা হবে। পাহাড়ের ক্ষতি হওয়ার অমূলক আশঙ্কা করছে কমিটি।
রবিবার তৃণমূলের স্থানীয়
কিছু নেতা-কর্মীকে পাহাড় বাঁচাও কমিটির মিছিল ও সভায় দেখতে পাওয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছিল
শাসকদলের অন্দরেই। শাসকদলের নেতা-কর্মী হয়েও সরকারি প্রকল্পের বিরোধিতা করার ঘটনায়
কড়া মনোভাব নিয়েছিলেন বিধায়ক। ওই কর্মীদের বিরুদ্ধে দলগত ব্যবস্থার বার্তা দেন। তারপরেই
কমিটির সঙ্গে দূরত্ব রাখতে দেখা যায় যাচ্ছে ওই নেতা-কর্মীদের। এ দিনের বৈঠকেও তাঁদের
দেখা যায়নি। বিধায়ক এ দিন ফের বলেন, ‘‘আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা প্রকল্পের বিরোধিতা
করা লোকজনের সাথে নেই।”
সৌজন্য – আনন্দবাজার পত্রিকা,
২২/১১/২০১৭।
উত্তর দিনাজপুরের পাঞ্জিপাড়ায় আদিবাসীদের জমি অধিগ্রহণের সমস্যা নিয়ে মঙ্গলবার (২১/১১/২০১৭) প্রশাসনের বৈঠক।
ইসলামপুর: উত্তর দিনাজপুরের
গোয়ালপোখর ব্লকের পাঞ্জিপাড়ায় নির্মীয়মাণ পাওয়ার স্টেশন প্রকল্পের জমি নিয়ে সমস্যা
মেটাতে আজ, মঙ্গলবার সবপক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছে ব্লক প্রশাসন। সেইসঙ্গে রবিবারের ঘটনায়
কেস চালু করেছে পুলিস। ইসলামপুর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি সিপিএমের মালতী হেমব্রম
বলেন, ওই জমিটি যে আমাদের তার সমস্ত কাগজপত্র রয়েছে। বিষয়টি মহকুমা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম।
তারপরেও সেখানে প্রশাসন নির্মাণ কাজ চালু করেছে। মঙ্গলবার ব্লক প্রশাসন বৈঠক ডেকেছে।
বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয় তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আগামী কর্মসূচি ঠিক করব। পাঞ্জিপাড়া
গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের লাল মহম্মদ বলেন, এদিন নির্মাণ কাজ হয়নি।
শ্রমিকরা ভয় পেয়ে বাড়ি চলে গিয়েছেন। মঙ্গলবার ব্লকে মিটিং রয়েছে। জেলার পুলিস সুপার
শ্যাম সিং বলেন, রবিবারের ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিস আক্রান্ত হয়েছিল, একটি মামলা
শুরু করা হয়েছে। পঞ্চায়েত দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক গোলাম রব্বানি
বলেন, ওই জমিটি সরকারের। ওই জমিতে অন্য কারও অধিকার থাকলে প্রশাসনকে জানাতে পারত এভাবে
বিক্ষোভ দেখানো, ভাঙচুর করা কাম্য নয়।
গত রবিবার সকালে বিদ্যুৎ সাব স্টেশন তৈরির কাজ বন্ধ করতে স্থানীয় আদিবাসীরা
জমায়েত হন এবং কর্মরত শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করতে বলেন। সেই সময় স্থানীয় মানুষ ও
তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকেরা আদিবাসীদের ওপর হামলা চালায়। ক্ষিপ্ত আদিবাসীরা পাল্টা
তির ছোড়েন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে আদিবাসীরা তাদের ওপরেও তির ছোড়ে। ঘটনায় এক হোম
গার্ড ও পুলিশের ওসি তিরবিদ্ধ হয়েছিল। পুলিশ আদিবাসীদের আটক করে থানায় নিয়ে গেলেও
কাওকে গ্রেফতার করেনি।
সুত্র – বর্তমান পত্রিকা, ২২/১১/২০১৭।
Subscribe to:
Posts (Atom)







